ডায়রিয়ায় প্রাণসংশয় হয় পানিশূন্যতায়, জীবাণুতে নয়। সঠিক নিয়মে স্যালাইন বানানো, কখন অ্যান্টিবায়োটিক অপ্রয়োজনীয়, আর কোন লক্ষণে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতাল।
৬টি কার্ড · কার্ডগুলো সোয়াইপ করে দেখুন
প্রশ্নটা
ডায়রিয়ায় সবচেয়ে জরুরি কোনটা?
অনেকেই আগে অ্যান্টিবায়োটিক খোঁজেন। কিন্তু বেশিরভাগ ডায়রিয়ায় প্রাণ বাঁচায় অন্য একটা জিনিস, আর সেটা প্রায় বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
হিসাব
আসল হিসাব
ডায়রিয়ায় মৃত্যুর প্রধান কারণ জীবাণু নয়, পানিশূন্যতা। শরীর থেকে যে পানি আর লবণ বেরিয়ে যায়, সেটা ফিরিয়ে দেওয়াই মূল চিকিৎসা। এক প্যাকেট খাওয়ার স্যালাইনের দাম কয়েক টাকা।
নিয়ম
স্যালাইন বানানোর নিয়ম
ভুল নিয়মে বানালে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে।
১পুরো প্যাকেট আধা লিটার বিশুদ্ধ পানিতে গুলুন, প্যাকেটের নির্দেশ অনুযায়ী
২কম-বেশি পানি নয়; ঘন স্যালাইন শরীরের পানি আরও টেনে নেয়
৩গুলে রাখা স্যালাইন ১২ ঘণ্টার মধ্যে শেষ করুন
৪পাতলা পায়খানা যতবার, ততবারই অল্প অল্প করে খাওয়ান
তবে
তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক কি লাগে না?
বেশিরভাগ ডায়রিয়া ভাইরাসজনিত, সেখানে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না, বরং অপ্রয়োজনে খেলে জীবাণু ওষুধ-প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। কিছু ক্ষেত্রে সত্যিই লাগে, কিন্তু সেটা ঠিক করবেন ডাক্তার, দোকান নয়।
সাবধানতা
যখন দেরি করা যাবে না
এই লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দেখলে স্যালাইন চালিয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিন।
১পায়খানার সঙ্গে রক্ত
২বারবার বমি, কিছুই পেটে থাকছে না
৩প্রস্রাব বন্ধ বা খুব কমে যাওয়া, চোখ বসে যাওয়া
৪শিশু নেতিয়ে পড়া বা অস্বাভাবিক ঘুম, খিঁচুনি
মনে রাখুন
মনে রাখার কথা
ডায়রিয়ায় প্রথম কাজ স্যালাইন, ওষুধ নয়। ঘরে সবসময় কয়েক প্যাকেট রাখুন, আর পরিবারকে জানিয়ে দিন।